জানা-অজানা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জানা-অজানা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০১২

বিশ্ব কাঁপানো ২০টি ঘটনা.....যার আসল সত্য কখনোই জানা যাবে না।


September 11, 2001 Twin towers attack

বহুত পুরনো ক্যাচাল এটা। ২০০১সালের ১১ই সেপ্টেম্বর আমেরিকার টুইন টাওয়ারে একটি ভয়াবহ হামলা হয়। বিশ্ব টেররিস্ট দল ‘আল-কায়দা’ ছিলো এই হামলার জন্য দায়ী। অভিনব ছিলো সেই হামলা। ২টি যাত্রীবাহী প্লেন আছড়ে পড়ে টুইন টাওয়ারের ২টি টাওয়ারে। কিছুক্ষণ পর বিশাল দুটি ভবন একবারে ধূলোয় মিশে যায়। প্রায় ৩৫০০মানুষ হতাহত হয়েছিলো সেই হামলায়।
এর আসল সত্যি বের হয়েছিলো কয়েকটি। প্রধান ২টি হল......
১. আমেরিকার প্রেসিডেন্ট এবং গোয়েন্দা সংস্হারা আগে থেকেই জানতো এই হামলার কথা। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে নিজের আধিপত্য বিছানোর এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চায়নি তারা। তাই চুপ করে থাকে সবাই হামলার আগে।
২. এই হামলা আমেরিকা ও ইজরায়েলীদের মিলিতভাবে করা। কারণ অনেক প্রতক্ষ্যদর্শীরাই জানিয়েছিলেন বিমান ২টি ভবনে আছড়ে পড়ার সময় এবং ভবন ২টি ভেঙ্গে পড়ার আগে তারা সেখান থেকে প্রচন্ড বিস্ফোরনের শব্দ শুনেছিলেন। আবার ভবন ২টির যে আদলে নির্মিত তা এভাবে এবং মূহুর্তে একদম মাটির সাথে মিশে যাওয়া একেবারেই অসম্ভব। যদি প্রচন্ড ধরণের বিস্ফোরণ ঘটানো হয় এই ভবনে তাহলেই সেটি সম্ভব। কারণ আবারও সেই মধ্যপ্রাচ্য।

Assassination of president John F Kennedy

আমেরিকার ৩৫তম সবার প্রিয় প্রেসিডেন্ট JFK কে ১৯৬৩সালের ২২শে নভেম্বর ডালাসে গুলি করে মেরে ফেলা হয়। পরপর ৩টি গুলি করা হয় তাকে। ঘাতক হলো Lee Harvey Oswald। তাকে ধরাও হয়। কিন্তু কয়েকদিন পরেই ঘাতককে আদালত প্রাঙ্গনে সবার সামনে গুলি করে মেরে ফেলা হয়।
ধারণা করা হয় এটাও আমেরিকার নিজেদের গোয়েন্দা সংস্হা এবং উচ্চ পর্যায়ের লোকদের কাজ। নাহলে দিনেদুপুরে আমেরিকার মতো দেশের প্রেসিডেন্টকে এভাবে গুলি করে মেরে ফেলা একেবারেই অসম্ভব কাজ। এর আরো কয়েকটি যুক্তি......
১. প্রেসিডেন্টকে গুলি করে মারার পর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপরই শুরু হয় লাশকে নিয়ে এক নজিরবিহীন গোপনীয়তা। কারণ কি??? আবার তদন্ত কমিটি যখন এই হত্যার রিপোর্ট দেয় কেন সেই রিপোর্টে এত মিথ্যা তথ্য ও গড়মিল দেখা গেলো??
২. প্রেসিডেন্টকে হত্যা করার জন্য হামলা হবে এরকম কয়েকটি গুজব কয়েকদিন ধরেই বাতাসে ভাসছিলো। তাহলে উনাকে সেইদিন কেন এত কম নিরাপত্তার মাঝে রাখা হলো ??
৩. সেই ঘটনার সাক্ষী সবাই বলছেন তারা সবাই ৩টি নয় বরং ৪টি গুলির শব্দ শুনেছিলেন এবং যে গুলিটিতে প্রেসিডেন্টের মৃত্যু হয় সেটি এসেছিলো অন্য জায়গা থেকে। কেন তাহলে সেই সাক্ষীদের এই দাবীর কোন তদন্ত না করেই সরকারী সংস্হাগুলো আষাড়ে গল্প বলে বেড়াচ্ছে???

Flying saucer crashed at Roswell

সময় ১৯৪৭ সাল। স্হান আমেরিকার নিউ মেক্সিকোর Roswell। হঠাৎ প্রচন্ডবেগে গোল চাকতির মতো একটি বস্তু আকাশ থেকে সেখানে বিকট শব্দে আছড়ে পড়লো। সেই জায়গাটির প্রচুর মানুষ সেই দৃশ্য নিজ চোখে দেখেছে। সবাই ছুটে গেলো সেখানে। কিন্তু আগুনের প্রচন্ড তাপ ফুলকির মতো বের হওয়ার কারণে কাছে ঘেষতে পারছিলো না কেউই। কিছুক্ষণ বাদেই বিরাট আর্মির দল এসে জায়গাটি ঘিরে ফেললো। আর্মির একজন উচ্চপদস্হ কর্মকর্তা শুধু সাংবাদিকদের জানিয়ে গেলো যে বিরাট চাকতির মতো একটি বস্তু আকাশ থেকে পড়েছে। যেন কোন আকাশযান। বাকিটা পরে জাতে পারবেন। পরেরদিন সব পেপারেও এর খবর ছাপা হলো। তাহলে কি এটা UFO !! Alienরা তাহলেই আসলেই পৃথিবীতে চলে এসেছে!!! কিন্তু কয়েকঘন্টা বাদেই শুরু হলো সরকারদের ধোকাবাজী। ঘন্টায় ঘন্টায় তারা নতুন করে গল্প ফাদতে লাগলো। একবার বললো এটা আর্মিদেরই নতুন আকাশযান আবার পরে বললো এটা নাকি উল্কাপিন্ড!!! সত্যটা আর কখনো জানা যায়নি এরপর।

Nasa faked the moon landings

অনেক পুরনো আর বহু চর্বিত আরেকটি ক্যাচাল। ১৯৬৯ সালটি ছিলো পৃথিবীর জন্য এক স্বপ্নের বছর। স্বপ্নকে জয় করার বছর। এই দিনে পৃথিবীর মানুষের পদধূলী পরে চাদে!!! চাদ জয় করে মানুষ।
এর বিরোধী দলও কম নয়। তারা বলে ১৯৬৯সালে মানুষ কোনভাবেই চাদ জয় করে নাই। সেই সময় পৃথিবীতে মানুষদের যেই প্রযুক্তি ছিলো তাতে চাদের মাটিতে পা রাখা এক অসম্ভব ব্যাপার ছিলো। পুরোটোই আমেরিকানদের বানানো। সম্পূর্ণ ঘটনাটিই আমেরিকানরা পৃথিবীর মাটিতেই চরম গোপনীয়তার সাথে শুটিং করে মানুষদের দেখায়। একদল তো আরো বেশী সরস। তাদের দাবী সেই শুটিংয়ের পরিচালক ছিলেন বিখ্যাত পরিচালক স্ট্যানলি কুবরিক।

The New World Order (NWO)

এটি বর্তমান সময়ের খুব বিতর্কিত ও আলোচিত ব্যাপার। ধারণা করা হচ্ছে চরম গোপনীয়তার মাঝে বিশ্বের ক্ষমতাশালী দেশ আমেরিকা আরো কয়েকটি বন্ধু রাস্ট্রকে নিয়ে World Bank, the IMF, the European Union, the United Nations, and Nato এর সহায়তার সমগ্র বিশ্বকে পাল্টে দেবার অভিযানে গোপনে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের প্রধান ও একমাত্র লক্ষ বিশ্বের সব দেশকে এক করে আনবে। সমগ্র বিশ্বে আর আলাদা কোন দেশ থাকবে না...থাকবে না আলাদা কোন মুদ্রা আর নিয়মকানুন। সমগ্র বিশ্বের শাসনভার থাকবে (NOW) এর হাতে। তারাই ঠিক করবে সবার বর্তমান আর ভবিষ্যত। তাদের কথার বাইরে কিছুই হবে না। এই লক্ষে অনেক আগেই নাকি কাজ শুরু হয়ে গেছে এবং এই ব্যবস্হার জন্য হুমকিস্বরূপ দেশগুলোকে নাকি কৌশলে ধ্বংস করে ফেলবার প্রক্রিয়া চলছে। বেশিদিন সময় নেই আর।

Princess Diana was murdered

সবসময়ের জন্য বিতর্কিত আরেকটি ব্যাপার। ১৯৯৭সালে এক ভয়াবহ গাড়ি দূর্ঘটনায় মারা যান প্রিন্সেস ডায়ানা এবং তার প্রেমিক ফায়াদ। বলা হয়ে থাকে সরাসরি ব্রিটিশ রাজপরিবারের নির্দেশে ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্হা MI6 এই দূর্ঘটনার আড়ালে হত্যাকান্ডটি ঘটিয়েছিলো। একে তো প্রিন্সেস ডায়ানার তুমুল জনপ্রিয়তা, সত্যবাদিতা এবং রাজপরিবারের সমালোচনা ব্রিটিশ রাজ পরিবারকে বিপদ এবং অস্বস্তিকর অবস্হায় ফেলে দিয়েছিলো আবার ফায়াদের সাথে উনার সম্পর্ক ব্রিটিশ রাজপরিবার এবং ইংল্যান্ডের জন্য জাতীয় নিরাপত্তার ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছিলো।

Elvis Presley faked his own death

বিখ্যাত ও তুমুল জনপ্রিয় গায়ক Elvis Presley এর নাম শুনেননি এমন মানুষ খুব কমই আছে। বিশ্বজুড়ে রয়েছে তার অগণিত ভক্ত। এখনও মানুষ তার গান শুনে যায়। বিখ্যাত এই গায়ক তরুণ বয়সেই জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকার সময় ১৯৭৭সালে হঠাৎ করে মারা যান। একদলের দাবী সেই সময় আসলে Elvis মারা যাননি। তিনি নিজের মৃত্যু ঘটিয়ে সবার আড়ালে চলে যান। অনেকে নাকি এরপর তাকে দেখেছে!! তার আসল মৃত্যু নাকি হয় ১৯৯০সালে।

Paul McCartney was actually died in 1966

বিশ্বকাপানো সবার প্রিয় ব্যান্ড ‘Beatles’ কে নতুন করে বলার কিছু নেই। সবাই এদের গানের ভক্ত। সেই ব্যান্ডের Paul McCartney কে তো সবাই চিনেন?? একদলের ধারণা ১৯৬৬সালেই এক গাড়ি দূর্ঘটনায় Paul মারা যায়। কিন্তু ১৯৬৬সালের পরও তো Paul ব্যান্ডের হয়ে গান গাচ্ছে...ঘুরে বেড়াচ্ছে। ধারণা করা হয় এটি ছিলো হুবহু Paul এর মতো দেখতে একলোক। যাকে Paul এর মৃত্যুকে লুকানোর জন্য আনা হয়েছে। এমনকি অনেকের ধারণা ১৯৬৬সালের পর Beatles এর অনেক গানে অন্যভাবে Paul এর মৃত্যুর কথার ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।

July 7, 2005 London series bombings

ইংল্যান্ডের জন্য তথা বিশ্ববাসীর জন্য খুব বেদনায়ক ও ভয়াবহ দিন হলো ২০০৫সালের ৭ই জুলাই। ভূগর্ভস্হ ট্রেনস্টেশনে পরপর কয়েকটি ভয়াবহ সিরিজ বোমা বিস্ফোরনে সেদিন প্রাণ হারাতে হয়েছিলো অসংখ্য নিরপরাধ মানুষকে। মুসলমানদের দায়ী করা হয় এই হামলার জন্য। হামলাকারীদের ফুটেজও প্রকাশ করা হয়। আসলেই কি এটি মুসলমানদের হামলা ছিলো ?? না এটিও ছিলো ক্ষমতাশালী দেশগুলোর সাজানো কোন নাটক। উপরের হামলাকারীর ছবিটি দেখুন। এর নাম Mohammed Sidique Khan। সে সুইসাইড হামলার একজন আসামী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই ছবিটি কোনভাবেই আসল হতে পারে না। জায়গাসহ সব ঠিক আছে। কিন্তু খুব সূক্ষভাবে লক্ষ্য করলে এবং পরীক্ষা করলে খেয়াল করা যাবে ছবির লোকটিকে আলাদা করে ছবিতে বসানো হয়েছে। পুরো ছবিটিই নকল। আবার অনেকে বলেন বোমগুলো হামলাকারীদের ব্যাকপ্যাক থেকে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়নি। এগুলো আগে থেকেই সেখানে রাখা ছিলো। মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকানদের সাথে যুদ্ধে নিজেদের অংশগ্রহনকে দেশবাসীর বৈধতা দেবার জন্য এই হামলা ঘটানো হয়েছিলো ধারণা করা হয়।

The Moscow apartment bombings

১৯৯৯সালে রাশিয়ার মস্কো শহরের একটি অ্যাপাটর্মেন্ট এক ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণে কেপে উঠেছিলো। অনেক হতাহত হয়েছিলো সেই হামলায়। গোটা বিশ্ব হতবাক হয়ে গিয়েছিলো সেই হামলায়। চেচনিয়াদেরকে সেই হামলার জন্য দায়ী করা হয়েছে। কিন্তু অনেকে মতে এটি ছিলো রাশিয়ার নিজেদের কাজ। প্রাক্তন GRU officer Aleksey Galkin and former FSB officer the late Alexander Litvinenko(যাকে রাশিয়ানরাই ২০০৬সালে লন্ডনে বিষ প্রয়োগ করে মেরে ফেলে বলে ধারণা করা হচ্ছে) এবং সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা এই হামলার পরিকল্পনা সাজিয়েছিলো এবং প্রধান গোয়েন্দাসংস্হা KGB সেই হামলার বাস্তবায়ন ঘটিয়েছিলো। চেচনিয়াদের বিরুদ্ধে নিজেদের অসম যুদ্ধের বৈধতা দেশবাসী এবং বিশ্ববাসীর সামনে তুলার জন্য এই হামলা করা হয়েছিলো।

Pearl Harbor was allowed to happen

১৯৪১সাল। বিশ্ববাসী যখন দেখছে ২য় বিশ্বযুদ্ধের প্রলংকারীরূপ। এক অভিলাষী প্ল্যান নিয়ে ইউরোপের দিকে ধেয়ে আসছে হিটলার। আমেরিকা তখনো এই যুদ্ধে জড়ায়নি। তখন বিশ্ববাসী মহা শক্তিশালী আমেরিকাকে আক্রান্ত হতে দেখলো। আমেরিকার Hawaii প্রদেশের প্রধান Navy base Pearl Harbor এ জাপানীরা অতর্কিত হামলা করে বসে। হঠাৎ করে এই হামলায় আমেরিকানদের প্রধান এই Base এর মারাত্মক ক্ষতির সম্মূখিন হয়। প্রচুর মানুষ হতাহত হয় এই হামলায়। এরপরই আমেরিকা ২য় বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। একদলে ধারণা এই ঘটনাগুলোতে অনেক ফাক আছে। আমেরিকা ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সরাসরি এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারছিলো না। অনর্থক এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার বিরোধীতা বিরূদ্ধে খোদ আমেরিকায় প্রচুর আন্দোলন হচ্ছিলো। তাই আমেরিকা জাপানকে নানা উস্কানি দিয়ে একপ্রকার বাধ্য করতে থাকে আমেরিকায় হামলা করার জন্য। এছাড়াও এত বিশাল প্রস্তুতি এ আয়োজনের জাপানের এই হামলার আগে আমেরিকা কিছুই বুঝতে পারে নাই এটা তাদের পক্ষে অসম্ভব। এমনকি হামলার আগে England, Netherlands, Australia, Peru, Korea and the Soviet Union আমেরিকাকে সাবধান করে দিয়েছিলো এই বলে যে জাপান যেকোন সময় Pearl Harbor এ হামলা করবে। কিন্তু আমেরিকার প্রেসিডেন্ট কোন এক কারণে চুপ থেকে এই হামলার অপেক্ষা করছিলেন।

Year 2004, Indian Ocean tsunami

২০০৪সাল। এশিয়ার মানুষদের জন্য খুব বেদনাদায়ক একদিন। এশিয়ার সমুদ্র পাশ্ববর্তী দেশগুলোর মানুষগুলো এদিন প্রকৃতির ভয়াবহ ও নিষ্ঠুর খেলার বাস্তব রূপ দেখতে পায়। বিশাল আকারের সুনামী আছড়ে পড়ে সমুদ্র পার্শ্ববর্তী কয়েকটি দেশে। লাখ লাখ মানুষ মারা যায় এই সুনামীতে। বিশেষ করে ইন্দোনেশিয়া ও শ্রীলংকায় এই হতাহতের সংখ্যা ছিলো সবচেয়ে বেশী। বিশ্ববাসী অনেকদিন মনে রাখবে প্রকৃতির এই নিষ্ঠুর ও ভয়াবহ রূপ। কিন্তু মিশরসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের সংবাদপত্রের দাবী এর পিছনে বিশ্বের শক্তিশালী কয়েকটি দেশের হাত রয়েছে। গোপনীয় পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা চালাতে গিয়ে দূর্ঘটনাক্রমে বিস্ফোরণে এই সুনামীর সৃষ্টি বলে ধারণা করেন অনেকে।

Fluoridation

দাতের ক্ষয় কমানোর জন্য পানযোগ্য পানিতে Fluoride মেশানো হয় এটা সবাই জানেন। আবার বৈজ্ঞানিকভাবেই প্রমাণিত যে এই Fluoride এর অনেক খারাপ ব্যাপার আছে। এর সাইড এফ্যাক্টে মানুষের শরীর নানাভাবে আক্রান্ত হয়। একদলের ধারণা এসব জানা সত্ত্বেও WHO এই Fluoride প্রয়োগকে নিষেধ করছে না। কারণ এর পিছনে রয়েছে বিশাল ব্যবসা। এর পিছনে রয়েছে সব ঔষুধ কোম্পানী। মানুষ অসুস্হ থাকলেই তো এদের লাভ। মানুষ অসুস্হ না থাকলে এত ঔষুধ কোম্পানী চলবে কি করে ??

HAARP

HAARP(High-frequency Active Auroral Research Program)। প্রকল্পটির অবস্হান Alaska প্রদেশের Anchorage জায়গায়। পেন্টাগনের একটি প্রজেক্ট এটি। কিন্তু কোন এক কারণে এই প্রকল্পটি নিয়ে রয়েছে বিস্তর গোপনীয়তা ও মানুষের কৌতূহল। পেন্টাগন এই প্রকল্পটির উদ্দেশ্য নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছিলো কিন্তু মানুষজন হেসে উড়িয়ে দিয়েছে তা। এত কেন গোপনীয়তা এই প্রকল্পটি ঘিরে ?? এর আসল কাজ কি তাহলে ?? ধারণা করা হয় এটি আমেরিকানদের ‘প্রাকৃতিক অস্ত্র’। পৃথিবীর সংঘটিত ভূমিকম্পের পিছনে এর হাত রয়েছে। পৃথিবী পৃষ্ঠের প্লেটের নড়াচড়ার পিছনে এই প্রকল্প হাত রয়েছে। সত্য তাহলে কি এটাই!!! The X-Files এর একটি এপিসোড ছিলো এই HAARP এর রহস্য নিয়ে।

FEMA's Plastic coffins and concentration camps

কফিনের ছবি
ঠিক Atlanta, Georgia এর একটু বাইরে একটি প্রধান সড়ক। FEMA(Federal Emergency Management Agency) এর বিশাল ক্যাম্প রয়েছে সেখানে। সেই জায়গাটিতে প্রায় ৫০০০০০ এর বেশী প্লাস্টিকের খালি কফিন রাখা আছে। এগুলো এখানে কেন রাখা হয়েছে?? কাদের জন্য এই কফিন???

গোপন ক্যাম্পের ছবি
আবার আমেরিকার অনেক জায়গায় FEMAএর অনেক বিশাল সব ক্যাম্প এর অস্তিত্ব দেখা যায়। বিশাল জায়গা জুড়ে এসব ক্যাম্প। কিন্তু কারো প্রবেশ নিষেধ। এত আয়োজন কাদের জন্য??? ধারণা করা হয় আমেরিকা অথবা বিশ্বে শীঘ্রই একটি বিশাল দূর্যোগ ঘনিয়ে আসছে। অনেক প্রানহানী হবে এতে। পৃথিবীর অনেক সমীকরণ বদলে যাবে এই কারণে। সেই বিপদকে সামনে রেখেই আমেরিকানদের এই পূর্বপ্রস্তুতি। কি!!! অনেকটা ২০১২সালের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে না??

HIV virus was created in a laboratory

Aids এক মরণব্যাধি রোগ। যার চিকিৎসার উপায় এবং ঔষুধ এখন পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে মরণব্যাধী রোগ এটি। প্রতিবছর বিশেষ করে আফ্রিকার প্রচুর মানুষ মারা যাচ্ছে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে। Dr William Campbell Douglass প্রথমে একটি থিওরি দেন। পরে অনেকেই তাকে সমর্থন জানান। উনার মতে HIV ভাইরাসটি ১৯৭৪সালে WHO এর পরিকল্পনা অনুযায়ী ল্যাবটেরীতে গবেষণা করে বানানো হয়েছিলো। বিশ্ব জনসংখ্যা কমানোর জন্য এটি বানানো হয়। পরে এই ভাইরাস খুব ঠান্ডা মাথায় আফ্রিকায় ব্যাপক হারে ছড়িয়ে দেয়া হয়। আরেকদল বলে CIA অথবা KGB এই দুটির যেকোন একটি নিজেদের স্বার্থে এই ভাইরাসটি বানিয়েছিলো। কিন্তু কোন একটি দূর্ঘটনায় এটি পরে বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

2012, End of the world

বিশাল ক্যাচালের ব্যাপার। ২০১২সালে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। অনেকে অবশ্য হেসেই উড়িয়ে দিয়েছে এই ব্যাপার। কিন্তু এর পক্ষের লোক কিন্তু কম নাই। প্রচুর মানুষ বিশ্বাস করে ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে ধ্বংসযজ্ঞ নেমে আসবে পৃথিবীর উপর। মায়ানদের ক্যালেন্ডারের সমাপ্তি এবং নষ্ট্রাডমাস এর কিছু ভবিষ্যৎবাণীর কারণে এই বিশ্বাস ছড়িয়ে পড়েছে সমগ্র বিশ্বে। আমার নিজের বিশ্বাস ধ্বংস হবে না কিন্তু হয়তো বিশাল একটি পরিবর্তন আসবে পৃথিবীর উপর এই সময়ে। বেশিদিন তো আর নেই। আর কয়েকটি মাস। এই ব্যাপারটি আমরা সবাই মনে হয় দেখে যেতে পারবো নিজ চোখে। দেখা যাক কি হয়!!!!

Bermuda Triangle

যুগ যুগ ধরে চরম আলোচনা চলতে চির রহস্যময় একটি জায়গা। কেন এর কাছাকাছি আসলে যাত্রিবাহী চলন্ত বিশাল সব জাহাজ অথবা প্লেন মানুষসহ অদৃশ্য হয়ে যায়?? কেন সেগুলো আর পরে বহ খুজেও পাওয়া যায় না??? কেনই বা এর আশেপাশের মানুষরা এই জায়গার কাছাকাছি আসলেই অদ্ভূত সব অভিজ্ঞতার সম্মূখিন হয়?? একদলের ধারণা এখানে সমুদ্রের নীচে রয়েছে Alienদের গোপন আস্তানা। তারাই এসব হারিয়ে যাওয়ার পিছনের আসল কারণ। আবার আরেকদল বলে এখানে কোন এক কারণে পৃথিবীর সাথে বাইরের কোন গ্রহের অদৃশ্য একটি দরজা সৃষ্টি হয়েছে। এসব জাহাজ ও প্লেন সেই দরজার ফাদে পড়ে চলে যায় অন্য কোন গ্রহে।

Area 51

আমেরিকানদের চরম গোপনীয় এক সামরিক ঘাটি এটি। আজ পর্যন্ত কোন সাধারণ মানুষ এর ভিতরে ঢুকতে পারেননি। এই ঘাটির আসল কাজ কি সেটা জানতে চেয়েও মেলেনি আমেরিকান সরকারের কাছে উত্তর। এই ব্যাপরটি নিয়ে কোন প্রশ্ন এলেই সবাই এড়িয়ে যায় এই ঘাটির কথা। মাঝে মাঝেই অদ্ভূত সব আকাশযান দেখতে পাওয়া যায় এই ঘাটির কাছাকাছি। পৃথিবীর কোন যানের সাথে এগুলোর কোন মিল নেই। বাইরের কাউকে দেখা মাত্রই গুলি করা হবে এরকম নির্দেশ ঝোলানো আছে এই ঘাটির চারপাশে। ভিতরে কি আছে বা কি হচ্ছে কোনভাবেই অন্য মানুষরা জানতে পারছে না। ধারণা করা হয় Alienরা পৃথিবীর সাথে যোগযোগ করেছে। নিয়মিত তারা আসে পৃথিবীতে। আর তাদের সেই পৃথিবীল আস্তানা হলো এই Area 51। পৃথিবীল মানুষরা যাতে ভুলেও কিছু দেখতে বা জানতে না পারে সেজন্যই এত গোপনীয়তা এখানে।

সোমবার, জানুয়ারি ২৩, ২০১২

দেখে যান পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত কিছু মানুষের বিখ্যাত কিছু মিথ্যা। ।পৃথিবীর ইতিহাস অন্ধকারে ছিল বহুদিন যে কারনে।



পৃথিবীর ইতিহাসে অক্ষয় হয়ে আছে তাদের নাম।কিন্তু তারা নিজের স্বার্থের জন্য এমনকিছু মিথ্যা বলেছেন যার কারনে পৃথিবীর ইতিহাস বহুদিন ভুলপথে হেঁটেছে।
আসুন দেখি এমন কিছু মিথ্যাবাদী বিখ্যাত মানুষের গল্প।
জন ম্যান্ডেভিলেঃ
 
তিনি ১৪শতকের সবচেয়ে বিখ্যাত নাবিক ছিলেন। তিনি আফ্রিকা ও ইউরোপ ঘুরে আসেন সেই প্রাচীন কালেই।
তার মিথ্যাঃ
তিনি একটি বই লিখেন নাম হলঃ travels of john mandeville.এই বইটি পুরোটা একটা মিথ্যা জিনিস।অথচ শত শত বছর এই বই দলিল হিসেবে পঠিত হয়েছে।
তিনি বলেন পিগমি নামক একটি বামন জাতির কথা যাদের মুখ নেই সুধু একটা নল।অথচ ঐরকম কিছু নেই।হা,হা।তারপর নাকি মানুষগুলি খেত না ।শুধু ঘ্রাণ নিয়েই বেঁচে থাকত খাবারের।

এবার আসুন আসল মিথ্যাটিতে।ইতিহাস যে অভিযাত্রীটির কথা বলে ১৪শতকের সেরা নাবিক হিসেবে সেই ম্যান্ডেভিলে বলে কেউ নাকি নেই।সবই কোন গুপ্তলেখকের গল্পকাহিনী!!!!!!!!!!!!!!!
অথচ লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি,কলম্বাসের মত বাঘা বাঘা ব্যাক্তিরা তাকে গুরু মেনেছে!!!!!!!কাকে?????কাল্পনিক এক চরিত্রকে!!!

মার্কো পোলোঃ
 
মার্কো পোলো ২৪ বছর বয়সে ইতিহাসে প্রথমবারের মত চীনে,মধ্যপ্রাচ্যে যান।
তার মিথ্যাঃ
১।তিনি দাবি করেন তার travels of marco polo বইতে যে তিনি সবার আগে চীন যান।
২।সেখানে তিনি এক বিশাল যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন এবং বীরের মত জয়ী হন।
৩।তিনি কুবলাই খানের ডানহাত ছিলেন।
৪।তিনি নাকি চীনের বিশাল একটা অংশ শাসন করেন বেশ কিছুদিন।
আসল সত্যঃ
তিনি আসলে চীনেই কোনদিন যান নি।মানুষের মুখে গল্প শুনে সেগুলোকে নিজের বলে চালিয়েছেন।তিনি যদি যাবেন ই তবে চা,ছাপাখানা,এমনকি বিখ্যাত চীনের প্রাচীর নিয়ে কেন তিনি কিছু বলেন নি????অথচ আমরা কি জানি????? !!!

জন স্মিথঃ
 
সতেরশ শতকে র্যানলেইগের মত সেও আমেরিকায় ইংল্যান্ডের উপনিবেশ স্থাপন করতে যায়।আজ তা জেমসটাউন হিসেবে পরিচিত।তিনি সফল হলেও তার ৫০০ জন ক্রু এর মধ্যে ৪৩৯ জন মারা যায়।ধীরে ধীরে মৃত্যুপুরী হিসেবে পরিচিত হয়ে যাওয়া জেমসটাউনকে তিনি বলতে গেলে একাই প্রানপন কষ্ট করে জীবিতপুরী করে তোলেন।


তার মিথ্যাঃ

১।তাকে স্থানীয় আধিবাসীরা বন্দী করে।এরপর যখন তাকে আগুনে ছুড়ে মারা হচ্ছে তখন সর্দারের মেয়ে পক্যাহোন্টাস এসে নিজের জীবন বাজী রেখে নাকি তার জীবন বাচায়।অথচ সর্দারের কোন মেয়ে ছিল না!!!!!!!!পরে আসল সত্য বের হবার আগ পর্যন্ত বহুদিন লোকজন ঐ কল্পমানবীর পুজা করে সেখানে।
২।সে দাবি করে তার মাথা নাকি অর্ধেক কেটে ফেলা হয়েছিল কিন্তু তারপর সে ঐ মহামানবীর শুশ্রুষায় ভাল হয়ে যায়!!!!
এগুলোসবই ছিল মিথ্যা ও তৎকালীন রাজার করূনা পাওয়ার জন্য বলা!!!!!!!!!!!!!
স্যার ওয়াল্টার র‍্যালেইগঃ
 

একজন আমেরিকান তার মাতৃভাষার জন্য সারাজীবণ কৃতজ্ঞ থাকা উচিত র‍্যালেইগের কাছে।
তিনি প্রথম ইংল্যান্ডের বাইরে ইংরেজ উপনিবেশ সৃষ্টি করেন আমেরিকায়।তিনি যদি আমেরিকায় প্রথম ইংরেজ উপনিবেশ roanoke না করতেন তবে আমেরিকা ফ্রান্স বা স্পেন এর দখলে চলে যেত।তাহলে কি হত বুঝতেই পারছেন.........

তার বলা মিথ্যাঃ

তিনি দেশে ফিরে বলে বেড়াতে লাগ্লেন যে,ঐ সব অঞ্চলে মাথাছাড়া মানুষ বাস করে।তাদের নাকি দুই কাধে চোখ এবং বুকের মধ্যে মুখ!!!!!!!!!!
এই বিশ্বাস নিয়ে ইংল্যান্ডের লোকজন প্রায় ২৫০ বছর কাটিয়ে দেয়!!!!!!!!!!!
!!
কেন বলেছেনঃ

এই মিথ্যা তাকে রাতারাতি আরও প্রচুর ফান্ডের ব্যাবস্থা করে দেয় আরও অনেক অভিযান চালানোর জন্য।তবে কি শুধু টাকার লোভেই............

ফার্দিনান্দ ম্যাগেলানঃ
 

জানেন কি পৃথিবীর আবিষ্কর্তা কে??? হ্যা। ম্যাগেলানকে বলা হয় বিশ্বের আবিষ্কর্তা।সামান্য মতপার্থক্য থাকলেও এটা নিশ্চিত যে তিনি প্রথম সফলভাবে পৃথিবীর চারপাশে ঘুরে এসেছিলেন ১৫১৯-১৫২২ সময়কালের মধ্যে।
পৃথিবী সফল ভাবে প্রদক্ষিণ করার জন্য ম্যাগেলানকে সবচেয়ে বেশী কৃতিত্ব দেয়া হয়।তিনিই প্রথম পূর্বে যাবার রূট আবিষ্কার করেন এবং কিছু অমুল্য সার্ভে করেন।আপনি হলে যা করতেন এই ভদ্রলোক ও ঠিক তাই করেন,নিজের নামে একটা স্ট্রেইট ও পেঙ্গুইনের নামকরণ করেন।

তার বলা মিথ্যাঃ
যখন দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ ধার ঘেঁষে যাচ্ছিলেন,ম্যাগেলান এবং তার ক্রু রা দাবি করল যে,তারা একটা নগ্ন দানব দেখেছে । দানবটা এতটা লম্বা যে তারা তার কোমড় পর্যন্ত ও পড়েন না!!!!
দানবটা নাকি নাচছিল,গাইছিল,চিৎকার করছিল,আশেপাশের আবর্জনা নিজের মাথায় জমাচ্ছিল।
তারা দেশে ফিরে এই গল্প ছড়িয়ে দেয়।ক্রমেই লোকজন বিশ্বাস করতে লাগল যে,দক্ষিন আমেরিকার ঐ জায়গায় নগ্ন দানব এর দল বছরের পর বছর নাচগান করে আর আবর্জনা খায়!!!!!!!!!!!এই বিশ্বাস ২০০ বছর স্থায়ী হয়।
ম্যাগেলানের লোকজন একদল আদিবাসী দেখেছিল যারা মোটেও দৈত্যাকার নয়,গড় উচ্চতা মাত্র ৫ ফিট ১১ ইঞ্চি।তারা ছিল Tehuelche গোষ্ঠী!!!!!!!!!!!


বুঝুন এবার,কোথায় আছি?????আমরা যা জানি তারই বা কতটুকু সত্য??? :-* :-* B:-) B:-)

শুক্রবার, জানুয়ারি ০৬, ২০১২

সেই স্কুল পালানো ছেলেটা একদিন কোরআন অনুবাদ করে ফেললো.....

যদি জানতে চাওয়া হয় কোরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদ কে করেছিলেন, নি:সন্দেহে সকল বাঙালিই চোখ বুজে উত্তরটা দিতে পারবেন.....গিরিশ চন্দ্র সেন।
অথচ এই গিরিশ চন্দ্র সেনের বাড়িটিই যে বাংলাদেশে এখনও প্রায় ভগ্নাংশ হয়ে দাড়িয়ে আছে, তার খবর ক'জনা রাখে!
তবে এখানে আমি আপনাদের কিছু আশার কথা শোনাবো, তার আগে এক নজরে দেখে নেই এই মনিষীর সংক্ষিপ্ত জীবন পরিক্রমা........

১৮৩৫ সালে ঢাকা মহাকুমার মহেম্বরদি পরগনার পাঁচদোনা গ্রামে ভাই গিরিশ চন্দ্র সেন জন্মগ্রহন করেন। পিতা মাধমরাম সেনের পূর্ব পরুষেরা ছিলেন নবাব আলিবর্দী খানের দেওয়ান। গিরিশ চন্দ্র সেন যখন মাত্র দশ বছর বয়সের শিশু, সেই সময় তাঁর বাবা মারা যান।

গিরিশ চন্দ্র সেনের শিক্ষা জীবন ছিল বেশ বৈচিত্রময়। মাত্র সাত বছর বয়স থেকেই তিনি তাঁর দাদামশায়ের কাছে ফার্সি শিখেছিলেন, পরে ইংরেজি শেখার জন্য তাঁকে ঢাকার পোগেজ স্কুলে ভর্তি করানো হয়েছিল। কিন্তু প্রধান শিক্ষকের বেত্রঘাতের ভয়ে, এখানে তাঁর স্কুল জীবন বেশি দীর্ঘয়িত হয়নি। এসময়ে তাঁর পরিচয় হয় পন্ডিত মুন্সি কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের পরিচয় হয়, তাঁর সান্নিধ্যে এসে তিনি বিখ্যাত ফার্সি বই গুলো সব পড়ে ফেলেন। এরপর তিনি ময়মনসিংহের একটি সংস্কৃত স্কুলে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই পড়াশুনা করে পাঠশালা পর্ব শেষ করে, হার্ডিঞ্জ স্কুল থেকে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনা শেষ করেন। পরে ময়মনসিংহ স্কুলে সেকেন্ড টিচার হিসাবে জয়েন করেন।
পরবর্তিতে কেশব চন্দ্র সেনের মতাদর্শে প্রভাবিত হয়ে তিনি ব্রাক্ষ্ম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। ১৮৬৯ সালে কেশব চন্দ্র সেন পৃথিবীর আদি ধর্ম গুলো নিয়ে বিস্তারিত গবেষণার জন্যন ব্রাক্ষ্ম সমাজের চার জন পন্ডিকে নিযুক্ত করেছিলেন, এর মধ্যে গিরিশ চন্দ্র সেন দায়িত্ব লাভ করেন ইসলাম ধর্ম নিয়ে কাজ করার, খুলে যায় নতুন এক সম্ভাবনার দ্বার। এই সময়ে গিরিশ চন্দ্রের আরবী ভাষা জানা না থাকায় ১৮৭৬ সালে তিনি আরবি শিক্ষার জন্য গিরিশ চন্দ্র লক্ষ্মৌ গিয়েছিলেন। সেখানকার ব্রাহ্ম সমাজের আনুকূল্যে এবং সহযোগিতায় মৌলবী এহসান আলী সাহেবের কাছে আরবি ব্যাকরণ ও দিওয়ান-ই-হাফিজের পাঠ গ্রহণ করেন। লক্ষ্মৌ থেকে কলকাতায় ফিরে আরেকজন মৌলবীর (নামটা জানা নেই) কাছে এ বিষয়ে আরও কিছু শিক্ষা গ্রহণ করেন। এরপর ঢাকায় নলগোলায় মৌলবী আলিমউদ্দিন সাহেবের কাছে আরবি ইতিহাস ও সাহিত্যের পাঠ গ্রহণ করেছিলেন।
এভাবে ভাষা শিক্ষা শেষ হবার পরে গিরিশ চন্দ্র সেন কোরআন শরিফ অনুবাদের কাজটি শুরু করেছিলেন ১৮৮১ সালের ১২ ডিসেম্বর। এই সময়ে তিনি প্রথম প্যারাটা অনুবাদ করেছিলেন। পুরো কোরআন অনুবাদ কাজ শেষ করতে তাঁর সময় লেগেছিল ছয় বছর। এই সময়ে এই অনুবাদ গুলো দুই তিন প্যারা করে এক সাথে মুদ্রন হতো, ৫০০ থেকে ১০০০ পর্যন্ত কপি হয়েছিল এক একটা মুদ্রনের, আর মূল্য ছিল দুই থেকে তিন আনা পর্যন্ত।
বাংলায় অনুবাদিত পূর্নাঙ্গ কোরআনের প্রথম মুদ্রন হয় কোলকাতা থেকে। কোরআন অনুবাদের পরে তৎকালিন মুসলিম সমাজ থেকে ভাই গিরিশ চন্দ্র সেনে কে সন্মানসূচক "মাওলানা" উপাধি দেয়া হয়েছিল।

কুরআন শরিফ অনুবাদের পরে ধন্যবাদ জানিয়ে গিরিশ চন্দ্র সেনের কাছে লেখা কোলকাতা মাদ্রাসার সিনিয়র সক্লার আহম্মদ উল্লাহর চিঠি


এর পাশাপাশি তিনি "বামবোধিনী পত্রিকা" নামে একটা মহিলা পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।

তাঁর প্রথম বাংলা অনুবাদ ছিল ফরাসি ভাষায় রচিত শেখ সাদির "গোলস্তান"। এর অনুবাদ গ্রন্থ 'হিতোপোখ্যান মালা" সেই সময়ে শিক্ষা বিভাগে পাঠ্য ছিল।
গিরিশ চন্দ্র সেন ইসলাম ধর্ম বিষয়ক ২২টি বই রচনা করেছিলেন, এছাড়া নববিধান নিয়ে তাঁর মোট ১৩ টি বই ছিল।


গিরিশ চন্দ্র সেনের লেখা একটা বইয়ের অরিজিনাল কপি!




এই কর্মবীর মনিষীর মৃত্যুবরন করেন ১৯১০ সালের ১৫ আগস্ট।

আপনি যদি এই মহামনিষীর বাড়িটি, যেখানে তিনি তাঁর জীবনের একটা বড় অংশ অতিবাহিত করেছেন, দেখতে চান তাহলে আপনাকে যেতে হবে নরসিংদি জেলার মনোহারদির পাঁচদোনা গ্রামে।


চারিদিক থেকে লোকজন জমি দখল করতে করতে বাড়িটাকে একদম ঢেকে ফেলেছে!


সম্প্রতি স্থানীয় ভাবে তাঁর বাড়িটি সংরক্ষন করে সেখানে গিরিশ চন্দ্র সেনের একটা মিউজিয়াম তৈরি করার পরিকল্পনা চলছে, বাকি শুধু বাংলাদেশ প্রত্নতত্ব বিভাগের অনুমতি।



বাইরে থেকে দেখা না গেলেও ভেতরে পুরো বাড়িটা মোটামুটি ভাবে পুন:নির্মান যোগ্য আছে!


স্থানীয় ভাবে গিরিশ চন্দ্র সেনকে নিয়ে নিরলস ভাবে গবেষণা করে যাচ্ছেন খন্দকার ফয়সাল আহম্মেদ নামের একজন চমৎকার মানুষ। চমৎকার বললাম এ কারণে যে, বর্তমানে প্রফেশনাল লোক ছাড়া যখন কেউ এ ধরনের গবেষনায় আসতে চায় না, সেখানে একজন ব্যাবসায়ী হিসাবে তার এ অধ্যবসায় সত্যিই মুগ্ধ হবার মতো। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসনও খুবই আগ্রহী এই বাড়ি সংরক্ষন আর পুন:নির্মানে। যদি তারা এ কাজে সফল হয় তাহলে একটা হবে বাংলাদেশে পাবলিক আর্কিওলজির অন্যতম একটা পদক্ষেপ!


আর্চ, লিন্টেল গুলো মোটামুটি অক্ষত আছে


পৃথিবীর অনেক দেশেই এভাবে প্রত্নসম্পদ গুলো স্থানীয় আর ব্যাক্তিগত ভাবে সংরক্ষিত হয়ে আসছে, বাংলাদেশে এটার শুভ সূচনা হতে যাচ্ছে, সেই সুদিনের অপেক্ষায় রইলাম আমরা....



বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ০৫, ২০১২

The biggest diamond in the universe

The biggest carbonado ever discovered in the world was found in Brazil, at 3,600 carats (300g short of a kilogram), but no gem-quality material could be cut from it. The biggest rough gem-quality diamond ever found in the world is the Cullinan Diamond, at 3,106.75 carats (more than half a kilogram) in 1905 at the famous Premier Mines, South Africa. It was named after the owner of the mine.

A miner posing with Cullinan – it doesn’t look like it’s worth very much, does it?
Another view – looks very ordinary, for now
A once in a lifetime chance to pose with the most precious stone ever found on the planet
The stone was broken into many pieces and the largest polished gem out of it is Cullinan I, also known as the Great Star of Africa, at 530 carats (106 g). Estimated value: over USD400 million (more than RM1 billion).
Cullinan I: now this is one diamond perhaps even Bill Gates can’t give to his wife
It is now mounted in the head of the Sceptre with the Cross, part of the Crown Jewels of the United Kingdom.
But Cullinan I is only the 2nd largest polished diamond in the world. Well, it was the biggest for about 80 years, until 1985, when the Golden Jubilee diamond was discovered from the same mine. At 545.67 carats, it’s about 15 carats heavier than Cullinan I. It now part of Thailand’s crown jewels. When the diamond was first publicly exhibited in Thailand, the queue was a mile long. It was brought to, and blessed by Pope John Paul II at the Vatican, the Supreme Buddhist Patriarch and the Supreme Imam in Thailand.
It’s of a different colour than is usually expected of a diamond
To get a general idea of its size
But wait! That’s not the end of the story. Those are the biggest diamonds on earth, but their size is pitiful compared to the biggest diamond in the universe: BPM37093, aka the diamond star, at 10 billion trillion trillion carats! Dubbed Lucy (from the Beatles’ song Lucy in the Sky with Diamonds), it’s the compressed heart of an old star that was as bright as our sun but is now faded and miniscule. But the chunk of crystallised carbon is still a mind-boggling 4,000 kilometers in diameter.
Artists’ impression of what the diamond will look like
If you think you’d like to get some of it to bring back home, there’s a small problem: it’s 50 light-years away from here. That means light takes 50 years to reach it. And another 50 get back here. Hence, travelling at the speed of light, you’ll still never make it – the round trip alone takes 100 years.
Equipment is another problem. Astronomer Travis Metcalfe, who led the team of researchers that discovered Lucy said that you’d need “a jeweller’s loupe the size of the sun to grade this diamond.” So how lah?
Perhaps the sun is a better choice. It will become a white dwarf too, and light only takes 8 minutes to reach it.
However, the wait is a little bit too long for most of us. Astronomers said that it will only become a giant diamond 7 billion years from now, when its ember core crystallises.

মঙ্গলবার, জানুয়ারি ০৩, ২০১২

যাদের আবিষ্কারই হয়েছিল তাদের মৃত্যুর কারণ

প্রত্যেক আবিষ্কারকই তার আবিষ্কার নিয়ে গর্ববোধ করেন। আবিষ্কারক মাত্রই তার আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে অমরত্ব লাভ করেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে পৃথিবীতে এমন বেশ কয়েকজন আবিষ্কারক রয়েছেন যারা প্রাণ হারিয়েছেন নিজের আবিষ্কারের হাতে..

হেনরি উইনস্টেনলি
১৬৪৪ সালের ৩১ মার্চ এসেক্সে জন্ম নেয়া হেনরি উইনস্টেনলি ছিলেন বিখ্যাত ইংরেজ ইঞ্জিনিয়ার। যিনি প্রথম এডিস্টোন বাতিঘর নির্মাণ করেন। নিজের তৈরি এই বাতিঘর নিয়ে ভদ্রলোক খুব আত্মবিশ্বাসী ছিলেন এবং প্রচণ্ড ঝড়েও এই বাতিঘর ধ্বংস হবে না বলে অহঙ্কার করতেন। ১৭০৩ সালের ২৭ নভেম্বর, দিনটি ছিল মেঘলা। বড়সড় একটি ঝড় সাগর থেকে ধেয়ে আসছে দেখে হেনরি সবাইকে বললেন, তিনি তার নির্মিত বাতিঘরে সে রাত থাকবেন এবং প্রমাণ করে দেবেন, এই ঝড় তার বাতিঘরের কোনো ক্ষতি করতে সক্ষম নয়। সে রাতে হেনরি তার ৫ সহকারীকে নিয়ে বাতিঘরে থাকার সময় প্রচণ্ড ঝড়ে বাতিঘরটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় এবং সবাই মৃত্যুবরণ করে।
আলেকজান্ডার বগডেনভ
১৮৭৩ সালের ২২ আগস্ট পোল্যান্ডে জন্ম নেন বিখ্যাত রাশিয়ান চিকিত্সক, দার্শনিক ও কল্পবিজ্ঞান লেখক আলেকজান্ডার বগডেনভ। ১৯২৪ সালের দিকে তিনি বিশ্বাস করতে লাগলেন অল্পবয়স্ক কারও দেহ থেকে রক্ত গ্রহণের মাধ্যমে রক্ত গ্রহীতা দীর্ঘায়ু লাভ করতে পারেন। তিনি এ বিষয়ে পরীক্ষা করতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তার এই পরীক্ষায় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অনেক বিখ্যাত লোকও অংশ নেন। এমনকি লেনিনের বোনও। এই করতে গিয়ে ঘটনাচক্রে তিনি একসময় যক্ষ্মা ও ম্যালেরিয়ার জীবাণুবাহী এক ছাত্রের রক্ত তার শরীরে প্রবেশ করান।
এরপর জীবাণুতে আক্রান্ত হয়ে তিনি খুব দ্রুত মৃত্যুবরণ করেন। যদিও তার বেশ কয়েকজন সহকারী মন্তব্য করেছিলেন, ওই পরীক্ষায় তিনি অনেকটা সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন।

ক্যারেল সোজেক
১৯৪৭ সালে চেকোশ্লোভিয়াতে জন্ম নেয়া সোজেক ছিলেন একজন স্টান্টম্যান। তিনি উপর থেকে গড়িয়ে পড়ার জন্য এক ধরনের ক্যাপসুল তৈরি করেন। এই ক্যাপসুলে করে নায়াগ্রা জলপ্রপাত থেকে গড়িয়ে পড়ে সবাইকে চমকে দেন তিনি। কারণ হালকা ছেঁড়া-কাটা ছাড়া তেমন কিছুই হয়নি তার। এর কিছুদিন পর ১৯ জানুয়ারি ১৯৮৫-তে তিনি টেক্সাসের হিউস্টোন অ্যাস্ট্রোডোমে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করেন। ১৮০ ফুট উপর থেকে নিচে রাখা জলপাত্রে গড়িয়ে পড়ার সময় তার তৈরি ক্যাপসুলে সমস্যা দেখা দেয়। ক্যাপসুলের স্পিল্গন্টারের আঘাতে ভয়াবহভাবে ক্ষতবিক্ষত হন সোজেক এবং মারা যান এর পরদিন।

ফ্রানত্জ রিচাল্ট
ফ্রান্সে বসবাসকারী ফ্রানত্জ একজন অস্ট্রীয় দর্জি ছিলেন। ভদ্রলোক একটি ওভারকোটের নকশা করেছিলেন যা একই সঙ্গে প্যারাসুটের কাজ করবে। প্রাথমিক অবস্থায় ডামি ব্যবহার করে বহুতল ভবনের উপর থেকে পরীক্ষা চালিয়ে তিনি সফল হন। এরপর তার এই অদ্ভুত পোশাক আরও পরিমার্জিত করে তিনি নিজে আইফেল টাওয়ার থেকে লাফিয়ে তার তৈরি ওভারকোট কাম প্যারাসুটের পরীক্ষা করতে চেষ্টা চালান। বন্ধুদের বারণ ও পুলিশি বাধা পেরিয়ে অবশেষে ১৯১২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি আইফেল টাওয়ার থেকে ওভারকোটটি পরে নিচে ঝাঁপিয়ে পড়েন। কিন্তু ওভারকোটটি প্যারাসুটের মতো কাজ করেনি এবং নিচে বরফে পড়ে মারাত্মকভাবে আহত হন তিনি। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরদিনই মারা যান ভদ্রলোক।
অটো লিলিনথাল
লিলিনথালকে এভিয়েশনের অগ্রদূত বলা হয়। গ্লাইডারের (ইঞ্জিনবিহীন বিমান) আধুনিকায়ন ও উড্ডয়নে তিনি এত পারদর্শী ছিলেন যে লোকে তাকে গ্লাইডার কিং বলেই বেশি ডাকত। ৯ আগস্ট ১৮৯৬ সালে নিজের তৈরি একটি গ্লাইডারে করে ওড়ার সময় ভারসাম্য হারিয়ে ১৭ মিটার উপর থেকে নিচে পড়ে যান তিনি। মেরুদণ্ড ভেঙে মারা যান ওইদিনই।
উইলিয়াম বুলক
১৮১৩ সালে আমেরিকায় জন্ম নেয়া বুলক রোটারি প্রিন্টিং প্রেস তৈরি করেন ১৮৬৩ সালে। যন্ত্রটি মুদ্রণশিল্পে বিপ্লব এনে দেয় এর কার্যকারিতা এবং দ্রুতগতিতে মুদ্রণ সুবিধার জন্য। ১৮৬৭ সালে ভদ্রলোক তার নিজের আবিষ্কৃত একটি মেশিন মেরামত করার চেষ্টা করেন। এসময় পা দিয়ে একটি পুলিকে লাথি দিয়ে বসানোর চেষ্টা করার সময় তার পা মারাত্মকভাবে কেটে যায়। কয়েকদিনের ভেতর স্থানটিতে পচন ধরলে অপারেশন করানোর সময় তার মৃত্যু ঘটে।

জে. জি. প্যারি টমাস
ওয়েলসের বাসিন্দা টমাস একজন ইঞ্জিনিয়ার ও মোটর-রেসিং ড্রাইভার ছিলেন। ১৯২৬ সালে তিনি ১৭০ মাইল ঘণ্টায় গাড়ি চালিয়ে রেকর্ড গড়েন। কিন্তু বছর খানেক পরই তার প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যালকম ক্যাম্পবেল তার রেকর্ড ভেঙে দেন। টমাস এবার তার গাড়িকে নতুন করে সাজান। তিনি চেইন ও গিয়ার সিস্টেমে ব্যাপক পরিবর্তন এনে তার রেসিং কারকে আরও দ্রুতগতির করে তোলেন। ১৯২৭ সালের ৩ মার্চ রেকর্ড ভেঙে দেয়ার জন্য রেসে নামেন তিনি। কিন্তু তার নিজের ডিজাইনে করা চেইন ভেঙে গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়। মাথায় শক্ত আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।

টমাস মিজলি
বিখ্যাত আমেরিকান কেমিস্ট মিজলি লেডেড পেট্রল এবং সিএফসি আবিষ্কার করেন। দীর্ঘসময় রাসায়নিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং লেড পয়জনে আক্রান্ত হয়ে এক সময় তার মধ্যে পোলিও’র লক্ষণ দেখা দেয়। কিছুদিনের মধ্যেই তার শরীর অবশ হয়ে পড়ে। এই অবস্থাতেও তার আবিষ্কারের নেশা কাটেনি। নিজে অন্যের সাহায্য ছাড়াই চলাফেরা করার জন্য নিজ বিছানায় এক ধরনের কপিকল তৈরি করেন। কিন্তু কপিকলটির রশি তার গলায় ফাঁস লাগলে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান ভদ্রলোক।

মেরি কুরি
বিখ্যাত কেমিস্ট মেরি কুরি দুবার নোবেল জেতেন তার আবিষ্কারের জন্য। অথচ ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, তার মৃত্যুর পেছনেও জড়িয়ে আছে তার আবিষ্কার। কুরি রেডিয়াম ও পোলনিয়াম আবিষ্কার করেন। তেজস্ক্রিয়তা তত্ত্ব ও তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ পৃথকীকরণ কৌশল তার গবেষণার ফসল। দিনরাত ল্যাবরেটরিতে তেজস্ক্রিয় দ্রব্য নিয়ে অসতর্ক অবস্থায় গবেষণা করতেন বলে তেজস্ক্রিয়তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভুগতে শুরু করেন তিনি। রক্তস্বল্পতাসহ নানা সমস্যায় ভুগে অবশেষে ১৯৩৪ সালের ৪ জুলাই মারা যান কুরি।

কুপার পিপস কোল
১৮১৯ সালে ব্রিটেনে জন্ম নেয়া কোল ছিলেন রাজকীয় নৌবাহিনীর একজন ক্যাপ্টেন। তখনকার সময় যুদ্ধজাহাজগুলোতে কামান রাখার মঞ্চগুলো ঘূর্ণায়মান ছিল না। যার ফলে যুদ্ধের সময় কামান ব্যবহার সুবিধাজনক ছিল না। ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সময় কোল প্রথম ঘূর্ণায়মান টারিট আবিষ্কার করেন এবং পরে নিজ নামে পেটেম্লট নেন।
যুদ্ধের পর কোল তার নিজ জাহাজে এটি স্থাপন করেন এবং অযথা আরও বেশকিছু ভারি সরঞ্জাম দিয়ে জাহাজ সাজান। কোল যে নকশা এঁকেছিলেন, তৈরির সময় তার লোকেরা তা ঠিকমত অনুসরণ না করায় জাহাজ যথেষ্ট ভারি হয়ে যায়। ১৮৭০ সালে পরীক্ষামূলকভাবে সমুদ্র পাড়ি দেয়ার সময় ঝড়ো বাতাসের কবলে পড়ে ভারি এই জাহাজ উল্টে ক্যাপ্টেন তার ৫০০ নাবিকসহ মারা যান।

সোমবার, জানুয়ারি ০২, ২০১২

যৌনদশমাশ্চার্য


(সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ অষ্টাদশোর্ধ্ব বস্তুমালা। অপ্রাপ্তবয়স্ক, অপ্রাপ্তমনস্ক, এবং দুব্বলচিত্তের জন্যে প্রযোজ্য নহে।)

পৃথিবীটা প্রকৃত অর্থেই বিচিত্র। পৃথিবীর আজব কিসিমের সব টুকিটাকি বিষয়বস্তুকে এক জায়গায় এনে জড় করলে এদের সংখ্যা এতই বিশাল হবে যে, তখন আর এদেরকে অসাধারণ কিছুই মনে হবে না। যৌনতা শুধু মনুষ্যকূল নয়, সকল প্রাণেরই মৌলিক চাহিদা। তবে শুধুমাত্র মানবাজাতির যৌনচর্চার ইতিবৃত্ত একটু কাটাছেড়া করলেই অনেক অদ্ভুত ব্যাপার স্যাপার বেরিয়ে আসবে। এধরণের অস্বাভাবিক, অদ্ভুত সমস্ত কিছু নিয়েই এই আয়োজন।

১ পৃথিবীর দীর্ঘতম লিঙ্গ, ১৩.৫ ইঞ্চি

বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগে চিকিৎসাবিদ রবার্ট ডিকিনসন জনৈক ব্যক্তির লিঙ্গের দৈর্ঘ্য মেপে দেখেন সেটা প্রায় ১৩.৫ ইঞ্চি লম্বা। এটাই এ পর্যন্ত মেডিকেল সায়েন্স কর্তৃক স্বীকৃত এবং প্রামাণিকভাবে সংরক্ষিত কোন মানুষের দীর্ঘতম লৈঙ্গিক-পরিমাপ। সে লিঙের বেড় ছিল প্রায় ৬.২৫ ইঞ্চি, যেটাও একটা রেকর্ড।

জানা যায়, বর্তমানে জীবিত লোকদের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ লিঙ্গের অধিকারী হলেন জোনাহ ফ্যালকন (বাংলায় হবে ইউনূস ফ্যালকন)। একটা টিভি চ্যানেলের জন্য নির্মিত অনুষ্ঠানে ইউনূস সাহেবের লিঙের হকিকত ফাঁস করে দেয়া হয়, যেটার দৈর্ঘ্যও সেই একই, সাড়ে তেরো ইঞ্চি। তবে এ সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায় না।



২ পৃথিবীর দীর্ঘতম যোনিপথঃ ১৯ ইঞ্চি

এক্ষেত্রে সামান্য গণিতিক কল্পনার আশ্রয় নেয়া হয়েছে। সম্ভবত, পৃথিবীর গভীরতম যোনিখাতের অধিকারিনী ছিলেন কানাডীয় অধিবাসী, স্কটিশ দানবী আন্না সোয়ান(১৮৪৬-১৮৮৮)। তাঁর শারিরীক উচ্চতা এবং আয়তনের কারণে সেই সময়ে তিনি অনেক রেকর্ডের অধিকারিনী ছিলেন বটে। স্বাভাবিক জন্ম হলেও, ‘জাইগ্যান্টিজম’ নামক অস্বাভাবিকতার কারণে শৈশবেই তাঁর কায়বৃদ্ধি মাত্রাধিক হারে ঘটতে থাকে এবং লাগামহীনভাবে বাড়তে বাড়তে ঊনিশ বছরে সেটা দাঁড়ায় সাত ফুট আট ইঞ্চিতে। এই অস্বাভাবিক আকৃতির কারণে তিনি সার্কাসের অংশ হয়ে দেশজুড়ে ঘুরতে থাকেন, এবং এক পর্যায়ে তাঁর সাথে দেখা হয় মার্কিনদেশী ক্যাপ্টেন মার্টিন বেটস’এর সাথে, যিনিও কিনা আন্নার মতই সাড়ে সাত ফুটী দানব। দুজনে বিয়ে করেন, এবং পরিণত হন সেসময়কার পৃথিবীর দীর্ঘকায় দম্পতিজোড়ে। এই রেকর্ড অদ্যাবধি সদম্ভে টিকে আছে। সেনাধিনায়ক বেটস সাহেবের কড়ি-কপর্দকের কমতি ছিলনা, তাই বিয়ের পর এই দম্পতি বিশেষভাবে নির্মিত এক ম্যানসনে গিয়ে ওঠেন, যেখানকার আসবাবগুলোও তাঁদের দুজনের মাপমতো সেভাবেই বানিয়ে নেয়া হয়েছিল। যেই পালঙ্কে তাঁরা বাসর করেন সেটা ছিল ১১ গুন ৭ বর্গফিট ক্ষেত্রের।

১৮৭৯ সালের জুলাই মাসে আন্না জন্ম দেন পৃথিবীর জানা-ইতিহাসের বৃহত্তম শিশুসন্তানটিকে যার ওজন ছিল ২৬ পাউন্ড, লম্বায় ছত্রিশ ইঞ্চি। শিশুটির আকার এতই বড় ছিল যে জন্মদানকালে সে মায়ের প্রসবপথে আটকে গিয়েছিল এবং তাকে বের করে আনতে বিশেষ শল্যব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়েছিল। কিন্তু জন্মলগ্নের এই জটিলতা এড়িয়ে সেই দুর্ভাগা শিশুর পক্ষে বাঁচা আর সম্ভব হয়নি, তবুও মৃতাবস্থায় তাকে প্রদর্শনের জন্য ক্লিভল্যান্ডের হেলথ মিউজিয়ামে তোলা হয়েছিল। শিশুটির খুলির পরিধি মেপে দেখা যায়- প্রায় ঊনিশ ইঞ্চি। সেখান থেকে ধারনা করা হয়- প্রসারিত অবস্থায় আন্না’র যোনিপথের প্রস্থ ছিল ৬ ইঞ্চি তথা ১৫ সেন্টিমিটার, যা কিনা বড়ই উদার। মনুষ্য জন্মদানের সময় যোনিপথের স্বাভাবিক ডায়ালেশনের পরিমাণ ১০ সেন্টিমিটার।

৩ পৃথিবীর সবচেয়ে উৎপাদনশীল মাতাঃ ৬৯ সন্তান

ফেওদর ভ্যাসিলেভ (১৭০৭-১৭৮২) ছিলেন রাশা’র শুয়য়া নগরের একজন কৃষক। তবে বড়াইটা তাঁর নয়, তাঁর প্রথমা স্ত্রী ভ্যালেন্তিনা ভ্যাসিলেভা’র, যিনি ছিলেন ৬৯ কাচ্চাবাচ্চার জনয়িত্রী। এক মহিলার গর্ভে পেয়দা হওয়া সন্তান সংখ্যার এটি একটি রেকর্ড। তার সন্তানদের মধ্যে ছিল ষোল জোড়া যমজ, সাতপ্রস্থ ত্রৈত (ট্রিপ্লেট) আর চারপ্রস্থ চতুজ (কোয়াড্রপলেট)। তার এই ৬৯ সন্তানের মধ্যে ৬৭ জনই সুস্থ অবস্থায় পূর্ণবয়স্কাল পর্যন্ত বেঁচে ছিল।

এযুগের রেকর্ডটা চিলি’র স্যান অ্যান্টনিও’র অতিপ্রজা রমণী লিওন্তিনা আলবিনার দখলে। তাঁর এই ষাটোর্ধ্ব লগনে তিনি দাবি করেন, এ পর্যন্ত ৬৪ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি। তাদের মধ্যে ৫৫ জন বর্তমানে জীবিত।


৪ পৃথিবীর দূরতম বীর্যক্ষেপণ– ১৮ ফুট

হর্স্ট স্খুল্টজ নামক এক ব্যক্তি ১৮ ফুট ৯ ইঞ্চি দূরে বীর্য ছুড়ে এই অতিমানবীয় কৃতিত্ব স্থাপন করেন। তার সে বীর্যে শুক্রানু এবং অন্যান্য অজৈব উপাদানের পরিমাণ স্বাভাবিক মাত্রায়ই ছিল। এই ভদ্রলোক ১২ ফিট ৪ ইঞ্চি উচ্চতায় বীর্য তুলে উচ্চতম বীর্যক্ষেপণের রেকর্ডটাও শুধু গড়েননি, এমনকি দ্রুতগতিসম্পন্ন বীর্যক্ষেপণের নজিরও স্থাপন করেছেন, ঘন্টায় ৪২.৭ মাইল বেগে বীর্য ছুঁড়ে। একেই কি বলে ‘মাল্লেবাজ’?


৫ পৃথিবীর প্রবীণতম পতিতাঃ ৮২ বছর

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পতিতাবৃত্তিই পৃথিবীর প্রাচীনতম পেশা। তাই পে তে একবার পুলিশদল এক প্রবীণা দেহপসারিনীর সন্ধান পায় যার বয়স সবে ৮২ বছর। খদ্দেররা নাকি উনাকে আদর করে ‘দাদিমা’ বলে ডাকেন। দাদিমা এই পেশায় জড়িয়ে পড়েন প্রায় চল্লিশ বছর আগে, তাঁর কুড়ি বছরকালের সহপুরুষটির মৃত্যুর পর। জানা যায় এই পেশায় তিনি টিকে আছেন, সমসাময়িক যৌবনবতী পতিতাদের দরের দশ বা কুড়ি ভাগের এক ভাগ দাম আদায় করে।


৬ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মৈথুনমচ্ছব- ২৫০ যুগল

পৃথিবীর দীর্ঘতম মৈথুনমচ্ছব(orgy এর বাংলা করলাম)’এর আয়োজন করে দেখিয়ে দিয়েছে জাপান। ২৫০ জোড়া মানব-মানবী এতে অংশ নেয় এবং এ মহতী উদ্যোগকে সার্থক করে তোলে। একটি গুদামঘরে এই মহোৎসবের আয়োজন করা হয় এবং একদল দক্ষ আলোকচিত্রী আর ভিডিওবাজকে পুরো ঘটনা সুনিপুনভাবে সেলুলয়েডের ফিতায় ধরে রাখার জন্য নিয়োগ করা হয়। প্রত্যেক সদস্যকে যৌননৃত্যকলার বিশেষ তালিম আগে থেকেই দিয়ে রাখা হয় বলে তারা নিজ কর্ম দক্ষতার সাথে সম্পাদন করে। উল্লেখ্য, ‘অর্জি’ নাম দেয়া হলেও, এই মৈথুনমচ্ছবে প্রত্যেক জোড়া শুধুমাত্র নিজেদের মধ্যেই সঙ্গমে মিলিত হয়, একে অন্যেরটা টানতে যায়নি। পুরো উৎসবটির ডিভিডি আকারে পাওয়া যায়, যার মন চায় তিনি কিনে বা সংগ্রহ করে দেখতে পারেন।

৭ পৃথিবীর বৃহত্তম গণব্যাভিচারঃ ৯১৯ জন পুরুষ


মার্কিন পর্নোগ্রাফিক অভিনেত্রী লিসা স্পার্ক্সক্সক্সক্স একদিনে ৯১৯ জন পুরুষের সাথে ব্যভিচারমূলক যৌনসঙ্গমে লিপ্ত হয়ে পূর্বতন রেকর্ড দুমড়ে দেন। ঘটনাটি ঘটে পোল্যান্ডের এক মহোৎসবে, ‘ইরোটিকন ২০০৪’ নামে বাৎসরিক গ্যাংব্যাং চ্যাম্পিয়নশিপ’এর তৃতীয় আয়োজনে। এটা অবশ্য হুট করে হওয়া কোন রেকর্ড নয়, বরং ২০০২ এবং ২০০৩ এর আয়োজনে সংগঠিত হওয়া, পর্যায়ক্রমে ৬৪৬ এবং ৭৫৯ জন সঙ্গমসখা দ্বারা আদৃত হবার রেকর্ডগুলোর জবাব মাত্র।

৮ পৃথিবীর দীর্ঘতম হস্তমৈথুনঃ ১০ ঘন্টা

সানফ্রান্সিসকোতে অবস্থিত, ‘সেন্টার ফর সেক্স অ্যান্ড কালচার’ কর্তৃক আয়োজিত, ২০০৯ সালের ওয়ার্ল্ড মাস্টারবেট-এ-থন নামক এক প্রতিযোগিতায় ‘মাসানবু সাতো’ নামক এক তালেবরজন বীর্যপাত হবার আগপর্যন্ত তার লিঙ্গকে এক নাগাড়ে ৯ ঘন্টা ৫৮ মিনিট ধরে ঝাঁকিয়ে সবাইকে বাকরুদ্ধ করে দেন। বহুধা বৈচিত্রের যৌনানুষাঙ্গিক এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবার জন্যই শুধুমাত্র তিনি নিজভূম জাপান থেকে এতদূর উড়ে আসেন। এর আগের যে রেকর্ডটি, সেটিও ছিল তাঁরই। সময়কাল ৯ ঘন্টা ৩৩ মিনিট।

৯ পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী যোনিঃ ৩১ পাউন্ড উত্তোলনক্ষম

পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি তাতিয়াতা কোঝেভনিকোভা’র সাথে যার ধড়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী যোনীটা। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, এই যোনি দিয়ে তিনি পেল্লায় সব ওজন উঠিয়ে তামাম বিশ্বকে চমকে দিয়েছেন। তিনি ৩১ পাউন্ড অর্থাৎ প্রায় ১৪ কেজি ওজন উত্তোলন করে রীতিমত কুখ্যাত বনে গেছেন বলা চলে। প্রায় ষোল বছরের কঠোর ব্যায়ামের মাধ্যমে তিনি তাঁর যোনীপথে এমন শক্ত পেশীকলা নির্মাণ করেন এবং তদানুসারেই গিনেস বুকে প্রবেশ করেন সবচেয়ে শক্তিশালী যোনিবতী নারী হিসেবে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমার যখন বাচ্চা হয়, তখন আমার যোনিপথের পেশী বেশ দুর্বল হয়ে পড়ে। আমি তাওবাদী কিছু বইপত্র পড়ে জানতে পারলাম যে প্রাচীনকালে মহিলারা এই ধরণের সমস্যায় পড়লে চিকিৎসার কাজে ব্যবহার করতেন কাঠের বল।”


১০ পৃথিবীর প্রবীণতম পিতাঃ ৯০ বছর

পৃথিবীর প্রবীণতম পিতা আবারও দেখিয়ে দিয়েছেন। যেই বয়সে পুরুষের গোপনাঙ্গ লৌহদন্ডেও ঠেস দিয়ে রাখা যায়না, সেই ৯০ বছর বয়সে তিনি তাঁর একুশতম সন্তানের জন্ম দিয়ে অনন্য নজির তৈরি করেছেন। ভারতের কৃষক নানু যোগী, যিনি কিনা চার বিবি নিয়ে ঘর করছেন, হামবড়া ভাবনিয়ে বললেন যে, তিনি থামতেই চান না, অন্তত একশ বছর হবার আগ পর্যন্ত। যোগী সাহেব ঠিক নিশ্চিত নন তার বংশধরের সংখ্যা কত, তবে সন্দ করেন- ১২ জন পুত্র, ৯ জন কন্যা এবং অন্তত কুড়ি-পঁচিশেক নাতি-নাতনি।